Friday, April 30, 2021

বি.জি.এম উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষ রোপন

 
 
 "কেয়া স্টুডেন্টস ফোরাম বাংলাদেশ" হবিগঞ্জ শাখা কর্তৃক বি.জি.এম উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন শ্রদ্ধেয় শিক্ষক জনাব Abdul Ahad স্যার
❤ 
 
আমাদের দেশে কিন্তু 9% বনাঞ্চল রয়েছে। যদি আমরা বর্তমান হারে বন গাছগুলি কাটা বন্ধ না করি, শীঘ্রই আমাদের বন গাছগুলি খালি হয়ে যাবে। আমাদের দেশে এবং বনে গাছপালা না থাকলে, দেশটি একদিন মরুভূমিতে পরিণত হবে। তাই দেশের পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে আমাদের আরও বেশি গাছ লাগাতে হবে এবং বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি পালন করতে হবে।

Source link :  https://www.fiverr.com/digital_sale/do-b2b-lead-generation-and-collect-sales-leads

 জয় হোক শিক্ষার
জয় হোক শিক্ষার আলো পাওয়া মানুষের।

বিদ্যালয়ে আজকের মিড ডে মিলের খন্ড চিত্র।

বি,জি,এম উচ্চ বিদ্যালয়ের মিডডে মিলের কিছু স্থির চিত্র।

 

মিড ডে মিল-এর ভূমিকা

শিশুদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতির প্রশ্নে ৪৪ শতাংশ শিক্ষক মতামত রেখেছেন। এদের মধ্যে সব চেয়ে বেশি সংখ্যক শিক্ষক মিড ডে মিলের কারণে শিশুর উপস্থিতি বৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা করেছেন। মোট ৪৯ জন শিক্ষক (৩২ শতাংশ) লিখেছেন যে মিড ডে মিল চালু হওয়ায় বিদ্যালয়ে শিশুর উপস্থিতির হার যথেষ্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। একটা বড় অংশের শিক্ষক (২৩ জন) নিজ উদ্যোগে উপস্থিতি বৃদ্ধি করা নিয়েও আলোচনা করেছেন। কিন্তু অধিকাংশ শিক্ষকই শিশুর অনুপস্থিতিজনিত সমস্যা ও তার কারণ নিয়ে আলোচনা করেছেন। আমরা ইতিমধ্যেই দেখেছি যে প্রতীচী ট্রাস্টের সমীক্ষায় ২০০১ – ০২-এ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশু উপস্থিতির হার ছিল ৫৮ শতাংশ। কিন্তু ২০০৮ – ০৯ -এ তা দাঁড়িয়েছে ৭৪.৮ শতাংশে। এবং শিশু উপস্থিতির হারে অগ্রগতি নিয়ে কোনও মহলে বিতর্কও নেই। এই অগ্রগতির পিছনে মিড ডে মিলের ভূমিকাও সর্বজন স্বীকৃত। প্রতীচী ট্রাস্টের ২০০৪ এর সমীক্ষায় দেখা যায় পশ্চিমবাংলায় মিড ডে মিল চালু হওয়ার ফলে শিশুদের উপস্থিতির হার বৃদ্ধি পেয়েছিল ১০ শতাংশের বেশি। শিক্ষকদের লেখাতেও মূলত এই সুরই বেরিয়ে এসেছে। বেশ কিছু শিক্ষক এ কথাও লিখেছেন যে শনিবারে উপস্থিত কম হওয়ার কারণ ঐ দিন মিড ডে মিল চালু না থাকা — সারা রাজ্যে শিক্ষকদের সঙ্গে আমাদের যে নিয়মিত আদানপ্রদান হয় সেখান থেকেও স্পষ্ট উঠে আসে। জলপাইগুড়ি জেলার বাসুসুবা বি এফ পি বিদ্যালয়ের শিক্ষক সুদীপ্ত ইন্দ্র লিখেছেন,

‘আমার বিদ্যালয়টি যে হেতু একটি প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে অবস্থিত ছিল এবং বেশির ভাগ শিশুই প্রায় অত্যন্ত গরিব ঘরের সন্তান, ফলে তাদের বেশির ভাগ দিন হয়ত না খেয়ে বা আধপেটা খেয়ে বিদ্যালয়ে আসতে হত, যার প্রভাব তাদের পড়াশোনার উপরেও পড়ত সরাসরি ভাবে। তারা বিদ্যালয়ে অমনোযোগী ও অনিয়মিত থাকত। ... পরবর্তীতে মিড ডে মিল চালু হওয়ায় এই সমস্যার কিছুটা সমাধান হয়েছে। এর সঙ্গে শনিবার মিড ডে মিল বন্ধ থাকায় সেই দিন ছাত্রছাত্রী সংখ্যা একদম কমে যাচ্ছে। যদি আমি ধরে নিই যে বিদ্যালয়ে সোম থেকে শুক্রবার ১০০ জন ছাত্রছাত্রী হচ্ছে তবে শনিবার দেখা যাচ্ছে ১০ – ২০ জনের বেশি ছাত্রছাত্রী আনতে পারছি না।’

তবে ঐ শিক্ষকের লেখা থেকে জানা যায় যে ছাত্রছাত্রীদের সাংস্কৃতিক কর্মসূচি আয়োজনের মাধ্যমে তাঁরা শনিবারের এই সমস্যার সমাধান করতে চেষ্টা করেছিলেন, যাতে কিছু সুফলও পাচ্ছেন।

 

জয় হোক শিক্ষার
জয় হোক শিক্ষার আলো পাওয়া মানুষের।

বিতর্ক প্রতিযোগীতা ২০২০ ইং,বি,জি,এম উচ্চ বিদ্যালয়।

 

                                      বিতর্ক প্রতিযোগীতা ২০২০ ইং,বি,জি,এম উচ্চ বিদ্যালয়।

 

জয় হোক শিক্ষার
জয় হোক শিক্ষার আলো পাওয়া মানুষের।

বি.জি.এম উচ্চ বিদ্যালয়


শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস উপলক্ষে বি,জি,এম উচ্চ বিদ্যালয়ে আলোচনা সভার খন্ড চিত্র।


১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক বেদনাঘন দিন। একাত্তরের এই দিনে বাংলাদেশের ইতিহাসে সংযোজিত হয়েছিল এক কলঙ্কজনক অধ্যায়।
মুক্তিযুদ্ধে আমাদের বিজয়ের প্রাক্কালে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনী ও তার দোসররা পরাজয় নিশ্চিত জেনে মেতে ওঠে বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডে। প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে তারা হত্যা করে জাতির কৃতী সন্তানদের। উদ্দেশ্য ছিল স্বাধীনতা লাভ করতে যাওয়া বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করে ফেলা।
পৈশাচিক হত্যাযজ্ঞের পর হত্যাকারীরা ঢাকার রায়েরবাজার ও মিরপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বুদ্ধিজীবীদের মরদেহ ফেলে রেখে যায় ১৬ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের পরপরই কারও কারও নিকট আত্মীয় বধ্যভূমিতে স্বজনদের মরদেহ খুঁজে পান।
 
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে সকল শহীদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি।


বি.জি.এম উচ্চ বিদ্যালয়


 বি.জি.এম উচ্চ বিদ্যালয় কতৃক আয়োজিত বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন এবং জাতীয় শোক সভায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় সংসদ সদস্য আব্দুল মজিদ খান এম.পি মহোদয়,বানিয়াচং উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জনাব আবুল কাশেম চৌধুরী ও ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক আমিন সহ অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষক বৃন্দ এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

বি.জি্.এম উচ্চ বিদ্যালয়

 

বিদ্যালয়ের নতুন সভাপতি জনাব মোঃআবু ছালেহ
আজ বিদ্যালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ কালে বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে।


 প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ও সম্পদে পরিপূর্ণ বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী বড়ইউড়ি গ্রামের একটি অনন্য প্রতিষ্ঠানের নাম ‘ বি.জি্.এম উচ্চ বিদ্যালয়’। মেধা-মনন, চিন্তা-চেতনা, জ্ঞান ও প্রজ্ঞা অনুশীলনের এক বিকাশমান বিদ্যাপীঠ। জন্মলগ্ন থেকে আজ পর্যন্ত শিক্ষা-সংস্কৃতি ক্ষেত্রে সমভাবে ইতিহাস ও ঐতিহ্য সৃষ্টি করে চলছে। জন্ম দিয়েছে অনেক বরেণ্য ব্যক্তির। সৃজনশীল-মননশীল ও প্রজ্ঞাবান অধ্যাপকবৃন্দের ব্যক্তিত্বর প্রভায় শিক্ষার্থীদের অন্তর-আত্মা আলোকিত হয়ে উঠেছে। আর তারা শিক্ষা, সাহিত্য- সংস্কৃতি ও বিজ্ঞানের আলোকে আধুনিক নাগরিক হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করছে।  

১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এ কলেজটির নামকরণ করা হয়েছিল বড়ইউড়ি, গুনই, এবং মদনমুরত তিনটি গ্রাম একত্রিত হয়ে । ১৯৯৮ সালের আগস্ট থেকে ৬ষ্ট, ৭ম, ৮ম এই তিন  শাখা নিয়ে স্কুলের যাত্রা শুরু এবং পরবর্তীকালে ৯ম, ১০ম শাখা চালু হয়। স্কুলটি জন্ম লগ্ন থেকে সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল না। নারী শিক্ষা প্রসারে স্কুলটি প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করে আসছে।



https://www.fiverr.com/ithasanoficial/do-b2b-lead-generation-and-targeted-email-list-prospecting

 https://www.fiverr.com/ithasanoficial/do-b2b-lead-generation-and-targeted-email-list-prospecting  https://www.fiverr.com/ithasanoficial/do-...